কোরবানি ঈদ সামনে রেখে খামারি আর গৃহস্থদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ
কোরবানি ঈদ সামনে রেখে খামারি আর গৃহস্থদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। কষ্টের টাকায় কেনা বা বছরের পর বছর যত্নে বড় করা গরুগুলো নিয়ে তারা এখন বেশ আতঙ্কে আছেন। কারণ, প্রতিবছর এই সময়টাতেই গরু চুরির সিন্ডিকেটগুলো ভীষণ সক্রিয় হয়ে ওঠে। শুধু রাত নয়, অনেক সময় সুযোগ বুঝে দিনের আলোতেও ট্রাক বা পিকআপ নিয়ে এসে গরু তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কেবল ভাগ্যের ওপর ভরসা না করে কিছু ব্যবহারিক পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।গোয়ালঘরের নিরাপত্তা ও নজরদারি প্রথাগত বাঁশের বেড়া বা হালকা কপাটের বদলে এখন একটু মজবুত কাঠ বা লোহার দরজার কথা ভাবা প্রয়োজন। দরজায় ভালো মানের তালা ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া, বর্তমান সময়ে সিসিটিভি ক্যামেরা অনেক সাশ্রয়ী হয়ে গেছে। খামারের প্রবেশপথে অন্তত একটা ক্যামেরা থাকলে চোরদের মনে ভয় কাজ করে। আর যদি সিসিটিভি সম্ভব না হয়, তবে রাতে গোয়ালঘরের চারপাশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক। অন্ধকারই চোরদের সবচেয়ে বড় বন্ধু। সামাজিক পাহারা ও সতর্কতা চুরি ঠেকাতে পাড়া বা গ্রামভিত্তিক টহল দল গঠন করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। রাত ১২টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত পালাক্রমে পাহারার ব্যবস্থা করলে চোরেরা সুযোগ পায় না। এছাড়া এলাকায় হুট করে আসা অপরিচিত ব্যক্তি বা ফেরিওয়ালাদের গতিবিধির ওপর নজর রাখা জরুরি, কারণ অনেক সময় এরা ক্রেতা সেজে এসে খামারের খোঁজখবর নিয়ে যায়। আপনার একটু বাড়তি সতর্কতা আর সচেতনতাই পারে এই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে আপনাকে রক্ষা করতে। কোরবানির আনন্দ যেন চোখের জলে না মেশে, সেজন্য এখনই ব্যবস্থা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

আজকের আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url